ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ইসির ব্যয় প্রায় ১০ কোটি টাকা

জসীম উদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১ নভেম্বর) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই উপনির্বাচন পরিচালনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৯৬ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা। এর মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিংহভাগ অর্থাৎ ৭ কোটি ২৫ লাখ ১৭ হাজার ৮৭ টাকা খরচ করা হয়। অন্যদিকে নির্বাচন পরিচালনার জন্য ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৭১ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছিল কমিশন। ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করে ২১ প্লাটুন বিজিবি, এসআরবি’র ২৫১ জন সদস্য, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ এবং ২ হাজার ৪৬৫ জন আনসার সদস্য। এছাড়া নির্বাচনী অপরাধ রোধ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় মোট ৩৫ জন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন।

ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৯ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৬ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন। মোট ১৮৫টি কেন্দ্র ও ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণের কাজে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ১৫২ জন কর্মকর্তা নিয়োজিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতকরা ৬৪.৮১ ভাগ ভোট পড়ে। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করেছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম ৩ হাজার ২৮৯ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আবদুল আলীম নিজামী ৮৩৬ ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ৪৫০ ভোট পান।

গত ২১ আগস্ট তৎকালীন সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন নিয়ম অনুযায়ী শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল।

এই বিভাগের আরও সংবাদ