দেশের প্রতিটি উপজেলায় হবে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল: মীর শাহে আলম


দেশের সব উপজেলায় ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ করছে বিএনপি সরকার। আগামী চার বছরের মধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। কৃষকদের দেওয়া হবে কৃষক কার্ড। ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্যও বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করেই পাঁচ বছর পর আবার ভোট চাইতে যাবে বিএনপি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না। জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অবাধে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শক্ত অবস্থানে থাকবে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে দলীয় পরিচয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। দলের সুনাম ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপির প্রার্থীদের ভোট দিলে গ্রামাঞ্চলে উন্নয়ন ছড়িয়ে দেওয়া সহজ হবে। জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেহেশতের লোভ দেখিয়ে মানুষকে ঠকানো হয়েছে। গত পূজায় যেভাবে ঢাকের তালে নাচলেন, এবার কেন গেলেন না? ভোটের মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। তারা মৌসুমি রাজনীতিবিদ। ভোট এলে বেহেশতের লোভ দেখান, পূজামণ্ডপে যান; কিন্তু ভোটের পর জনগণের খোঁজ নেওয়ার সময় তাদের থাকে না।
লংমার্চের নামে তেল-গ্যাস নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে মীর শাহে আলম বলেন, তাদের ভোটের প্রয়োজন ছিল না, তাই তারা জনগণের কাছে যায়নি। কিন্তু আমাদের ভোটের প্রয়োজন আছে। তাই আমরা বারবার জনগণের কাছে আসব, তাদের কথা শুনব এবং পাশে থাকব।
অনুষ্ঠানে মোকামতলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুজ্জামান এবং শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে প্রতিমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করেন এবং ময়লা পরিবহণ ভ্যানের উদ্বোধন করেন।



