মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের সাফল্য: অভিনন্দন জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অনুযায়ী নির্ধারিত ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
পূর্ব তিমুরের দিলিতে ৭-১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ অভিনন্দনপত্র তুলে দেন WHO-এর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এই অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। পাশাপাশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতাও এ সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় আরো জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান সেবা এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এ অর্জন গত এক দশকে WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের আঞ্চলিক অর্জন ধরে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় বাংলাদেশের সরকারের অর্জন, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াকে অত্যন্ত সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে এবং এসব উল্লেখযোগ্য জনস্বাস্থ্য সাফল্যের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানায়।



