৭ সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ ৫৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর


৭ সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ৪৯ পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ৫৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুইটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এসব কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন জেলা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), বিশেষ শাখা (এসবি) এবং রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তাও রয়েছেন।
অন্যদিকে, সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকেও একই আইনের আওতায় জনস্বার্থে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন- র্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এসি (পেট্রল) মো. নুরুল মোস্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের এএসপি কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের এএসপি মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, আরআরএফ, ঢাকার এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার এএসপি মো. রবিউল ইসলাম।
অবসরে পাঠানো পরিদর্শকরা হলেন- মো. আবুল হোসেন (কোর্ট পুলিশ, জামালপুর), মো. কামরুল ইসলাম মোল্যা (সদর সার্কেল অফিস, নোয়াখালী), মো. মুজিবুর রহমান (অপরাধ শাখা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ), মোহা. জাবেদুল ইসলাম (স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স, এসবি), মো. মজিবর রহমান (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল অফিস, জামালপুর), এ কে এম মিজানুল হক (রিজার্ভ অফিস, গাজীপুর), মো. মীর মোশারফ হোসেন (ট্যুরিস্ট পুলিশ, গাজীপুর জোন), মো. সফিকুল ইসলাম (কন্ট্রোল রুম, চাঁদপুর), মো. মনিরুজ্জামান (সিআইডি, ঢাকা), মো. আজহারুল ইসলাম সরকার, (কোর্ট পুলিশ, টাঙ্গাইল) এবং মো. কামরুল ইসলাম (সাময়িক বরখাস্ত; সংযুক্ত বরিশাল রেঞ্জ অফিস)।
এ ছাড়া এ এফ এম নাসিম (প্লানিং রিসার্চ, এসবি), মো. মোফাজ্জেল হোসেন (পিবিআই ঢাকা মেট্রো সিটি), মো. জিয়াউল মোর্শেদ (ঢাকা মেট্রো সাউথ, সিআইডি), সুনীল কুমার কর্মকার (কোর্ট পুলিশ, মাগুরা), এ কে এম আজমল হুদা (ডিবি, কুষ্টিয়া), স্বপন কুমার মজুমদার (শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২, গাজীপুর), মো. বেলায়েত হোসেন (সিআইডি, মুন্সিগঞ্জ), মো. মেহেদী হাসান, (ওসি, টঙ্গী পূর্ব থানা), মো. মনিরুজ্জামান (রেকর্ড সেকশন, পিবিআই), মো. এনামুল হক (লজিস্টিকস, সিআইডি), বেলালে উদ্দিন জাহাঙ্গীর (সিআইডি, কক্সবাজার), মো. বাবুল আকতার (পিবিআই, চট্টগ্রাম) এবং ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভূঞা (রাজনৈতিক সেন্ট্রাল, এসবি) রয়েছেন।
তালিকায় আরও রয়েছেন এম এ জলিল (কোর্ট পুলিশ, লক্ষ্মীপুর), কাজী সাহান হক (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, রংপুর), মো. মশিউর রহমান, (সি-স্টোর, বিপিএ, সারদা), মো. সিদ্দিকুর রহমান (ট্যুরিস্ট পুলিশ, গাজীপুর জোন), মো. মাহমুদুল হক (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনা), মো. নজরুল ইসলাম (মিডিয়া, সিআইডি), মোহাম্মদ সাহিদুর রহমান (এন্টি টেররিজম ইউনিট), বি এম ফরমান আলী, (এসটিসি, খাগড়াছড়ি), মো. রফিকুল ইসলাম (পিটিসি, নোয়াখালী), প্রলয় কুমার সাহা (পিটিসি, খুলনা), মো. মিজানুর রহমান (১ এপিবিএন), কে এম আশরাফ উদ্দিন (ট্যুরিস্ট পুলিশ, কক্সবাজার জোন), মীর মো. নুরুল হুদা (রেলওয়ে জেলা, চট্টগ্রাম) এবং নিবারণ চন্দ্র বর্মন, পিপিএম (ইনচার্জ, বাহাদুরাবাদ ঘাট নৌ থানা, জামালপুর)।
অন্যদের মধ্যে এস এ মাসুদ পারভেজ (ওসি, তানোর থানা, রাজশাহী), শেখ মো. গোলাম মোস্তফা (বিপিএ, সারদা), মো. মোস্তফা কামাল হায়দার (ডিআইও-১, ডিএসবি, ঝালকাঠি), শাহ মো. হারুন অর রশীদ (সিআইডি, সিলেট), খায়রুল ফজল (এন্টি টেররিজম ইউনিট), মো. ইসমাইল হোসেন (ডিবি-নর্থ, জিএমপি), মো. এমদাদুল হক (কেপিআই, এসবি), সমীর চন্দ্র সূত্র ধর (১৪ এপিবিএন, কক্সবাজার), মো. আখতারুজ্জামান প্রধান (ইনচার্জ, যমুনা সেতু পশ্চিম নৌ পুলিশ ফাঁড়ি), মো. নান্নু মোল্লা (টিএইচবি, সিআইডি) এবং মো. জাকির রব্বানী (ওসি, কুমিরা হাইওয়ে থানা)।



