ভাঙন আতঙ্কে ভোলার নিম্নাঞ্চল, নদীগর্ভে বিলীন বসতভিটা ও কৃষিজমি


ইয়ামিন হোসেন, ভোলা : ভোলার মেঘনা নদীতে হঠাৎ তীব্র ভাঙন দেখা দেওয়ায় চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের দিন কাটছে চরম আতঙ্কে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হতে থাকায় সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা ও সহায়-সম্বল হারানোর ভয় ক্রমেই বাড়ছে। ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষগুলো এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে।
নদীপাড়ের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি ও সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন,নদীভাঙন শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও হুমকির মুখে ফেলেছে। স্থায়ী সমাধান ছাড়া এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। আগামী একনেক বৈঠকে বড় বাজেট অনুমোদন হলে স্থায়ী নদীভাঙন রোধে কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
ভোলাবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলেই নদীভাঙন এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ এবং জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলে দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
তীরবর্তী অধিবাসীদের হুঁশিয়ারি, মেঘনার ভাঙনের গতি যেভাবে বাড়ছে, দ্রুত কার্যকর ও টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করা গেলে ভোলার আরও বিস্তীর্ণ জনপদ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।



