কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পানিবন্দী ৫০টি পরিবার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে প্রায় ৫০ টি পরিবার গত দশ দিন ধরে পানি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে । ওই এলাকার সরকারি একটি পুকুর টানা বৃষ্টিতে উপচে পড়ায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ওই এলাকার পরিবার গুলোর প্রায় দুইশত সদস্য চরম বিপাকে পড়েছে। সেখানকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়নের কাপড় ভিজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা যায়, উলিপুর পৌর শহরের একটি বিশাল অংশের পানি প্রায় ৫ একরের ওই সরকারি পুকুরে গিয়ে পরে। পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্র ভেদ করে কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের অবস্থান। এ সড়কের পশ্চিম দিকের পানি ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বুঁড়ি তিস্তায় গিয়ে পড়লেও পূর্ব দিকের বিশাল এলাকার পানি নিষ্কাশনের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই।

সেকেলে আমলের কতিপয় ড্রেনের মাধ্যমে পৌর শহরের পূর্ব অংশের পানি গুলো ওই সরকারি পুকুরে গিয়ে জমা হয়। সঙ্গত কারণে দীর্ঘদিন ধরে এ জলাবদ্ধতার দূর্ভোগ বহন করে ঐ এলাকাবাসি।

ওই এলাকার মাও: মমতাজুল হাসান করিমি জানান, মাত্র দেড় থেকে ২ শত মিটার একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করলেই পৌর শহরের পূর্ব অংশের পানি ওই ড্রেন দিয়ে মূল ড্রেনের সাথে সংযোগ করা হলে এসব পানি আর কখনোই জলাবদ্ধতা তৈরি করবে না। জলাবদ্ধ এলাকার রুবি বেগম, শিখা ও নূর কাশিম ইত্তেফাক কে জানান, বহু আবেদন নিবেদন করেও পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের দিকে নজর দেন না। ফলে প্রতি বছর বর্ষায় আমাদেরকে অসহনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রায় ২ শত মিটিার ড্রেন নির্মাণসহ পুকুরের পশ্চিম দক্ষিণ পাড় এলাকায় গাইডওয়াল দিয়ে আমাদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি সুগম করলে দূর্ভোগের অবসান হবে।

এ প্রসঙ্গে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম জানান, নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় পৌরসভার অনেক কাজেরই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আগামীতে ওই জলাবদ্ধতার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে।

এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,টি, এম, আরিফ জানান, আমি রোববার সরেজমিন জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করেছি। ওই এলাকার নাগরিকদের সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজে বের করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরও সংবাদ