মানিকগঞ্জের ঘিওরে সাবেক ছাত্রনেতা লাভলু হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল


মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম,মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুস্তা গ্রামের কৃতি সন্তান সাবেক ছাত্রদল নেতা লাভলু আহমেদ কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার প্রতিবাদে উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
১৭ ডিসেম্বর ( মঙ্গলবার) সকাল ১০ টায় উপজেলা বাসস্ট্যান্ড এর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি।
নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ সহ হাজারো মানুষ মিছিলে অংশগ্রহণ করে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে জনগণ।
এ সময় উপস্থিত সকলের মাঝে বক্তব্য রাখেন মীর মানিকুজ্জামান মানিক সভাপতি, ঘিওর উপজেলা বিএনপি, এডভোকেট ফিরোজ আলম বাবু (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঘিওর উপজেলা বিএনপি ), মিজানুর রহমান খান কুদরত (সাংগঠনিক সম্পাদক, ঘিওর উপজেলা শাখা বিএনপি), মাসুদুর রহমান মাসুদ (আহবায়ক যুবদল, ঘিওর উপজেলা শাখা ), সাইফ ছানোয়ার (সদস্য সচিব যুবদল, ঘিওর উপজেলা শাখা ), মোশাররফ হোসেন (যুগ্ন আহবায়ক যুবদল, ঘিওর উপজেলা শাখা )হাবিব ইব্রাহিম খান সাগর (যুগ্ন আহবায়ক যুবদল ঘিওর উপজেলা শাখা ) মৃধা মো: মাসুদ রানা (সাবেক যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় সংসদ, ছাত্রদল ) জাকির হোসেন বাপ্পি (সভাপতি মৎস্যজীবী দল ঘিওর উপজেলা শাখা ) খন্দকার নুরুল ইসলাম তপন (সাবেক জিএস, ঘিওর সরকারি কলেজ ) আরিফ হোসেন খান (সাধারণ সম্পাদক ঘিওর ইউনিয়ন শাখা ) মেহেদী হাসান সানি (সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ঘিওর উপজেলা শাখা ছাত্রদল)।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন নিহত লাভলু আহমেদ এর মেজ ভাই টিপু সহ স্বপ্না খান, সায়েম খান, শ্রাবণ ও আরো অনেকেই। এ সময় বক্তারা বলেন লাভলু ছিলো ক্লিন ইমেজের মানুষ, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার গায়ে কোন কাদা লাগেনি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদারির বিরুদ্ধে লাভলু ছিল প্রতিবাদী ও বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সব সময় নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতো। আজ লাভলু হত্যাকান্ডের নয় দিন অতিবাহিত হলো, আসামিরা সকলেই চিহ্নিত, দিনে দুপুরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটলো অথচ একজন আসামিও প্রশাসন গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রশাসনকে দ্রুত আসামি গ্রেফতার করে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বলেন বক্তারা, ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন দ্রুত আসামি গ্রেফতার করুন। আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাইনা। ঘিওর অস্থিতিশীল হোক আমরা চাইনা। আমরা শান্তি চাই, আমরা চাই দ্রুত প্রশাসন এই চিহ্নিত খুনীদের গ্রেফতার করে।
বিচারের আওতায় আনুক খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।এছাড়াও বক্তারা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখে ধৈর্য ধরে শান্ত থেকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান।



