ধর্মঘটে জনদূর্ভোগের দায় অযোগ্য মন্ত্রীদের: ববি হাজ্জাজ

ইয়ামিন হোসেন: আজ ৭ নভেম্বর, ২০২১ইং, রোজঃ রবিবার চলমান পরিবহন ধর্মঘটে জনদূর্ভোগের প্রেক্ষিতে সরকারের ব্যর্থতাকে চিহ্নিত করে বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।
এনডিএম এর ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন এর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞতিতে
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমগণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হাজ্জাজ বলেন, ” আমাদের বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ আর ক্রিকেট বোর্ডের আচরণ একই৷ দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেয়া বা সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলা করার প্রয়োজনীয় দক্ষতা, সক্ষমতা এবং সদিচ্ছা কোনটাই নেই তাঁদের। লকডাউন চলাকালে আমরা দেখেছি গণপরিবহন বন্ধ রেখে অফিস-গার্মেন্ট খুলে দেওয়ায় সাধারণ মানুষকে কি অবর্ননীয় দুর্দশার মুখোমুখি হতে হয়েছিলো৷ কোনধরণের পূর্বঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেলের মূল্য ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি করে জনগণকে অযৌক্তিক ধর্মঘটের দুর্ভোগে ফেলার দায় কে নেবে? মূল্যবৃদ্ধির আগে গণশুনানির কি প্রয়োজন ছিলো না? পরিবহন মালিকরা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্যের জন্য যে ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চাইবে সেটা কি অনুমেয় ছিলো না? কোন ধরণের সমন্বয় না করে এবং সংকট মোকাবেলায় উদ্যোগী না হয়ে টানা ৪৮ ঘন্টার বেশী সাধারণ জনগণকে যে ভোগান্তির মধ্য রাখা হলো এর দায় নিতে হবে সরকারের অযোগ্য মন্ত্রীদের৷ আমরা নিশ্চিত, পরিবহন মালিকরা নতুন ভাড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পেলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে৷ কিন্তু একইসাথে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধগতি রোধ করাও আর সম্ভব হবে না৷ জ্বালানিখাতে ভর্তুকিকে সামাজিক নিরাপত্তা খাত হিসাবে বিবেচনা করতে হবে৷ সাধারণ জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে ডিজেলের মূল্যে অন্তত আরও ৬ মাস ভর্তুকি দিয়ে ক্রমান্বয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে মূল্য সমন্বয় করার জন্য আমরা পুনরায় জোর দাবী জানাচ্ছি৷ একইসাথে এলপিজি সিলিন্ডারের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান করছি৷ অযোগ্য মন্ত্রীদের মন্ত্রিপরিষদ থেকে সরিয়ে দেয়া এখন সময়ের দাবী৷ জনগণের মনের ভাষা বুঝতে না পারলে সরকারের জন্য পরিণতি শুভ হবে না।”



