অর্থনীতি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামারি সংগঠন

পোল্ট্রি খামারিদের স্বার্থরক্ষা, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামারি সংগঠন’-এর অনুকূলে লাইসেন্স দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ২৮ ধারা অনুযায়ী গত ১২ অক্টোবর সংগঠনটির নামে এ লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখা থেকে সংগঠনটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের নামে লাইসেন্সটি দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির লক্ষ্য-নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে পোল্ট্রি খামারিদের সুসংগঠিত করা এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তাদের অবহিত করা। একই সঙ্গে এ খাতের বিকাশের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে চায় সংগঠনটি।

খামারিদের উন্নত জাতের বাচ্চা ও মানসম্মত খাদ্য সংগ্রহে সহযোগিতা, খামার ব্যবস্থাপনাবিষয়ক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সঙ্গে তাদের সমন্বয় জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।

এ ছাড়া নিজস্ব অর্থায়ন ও সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় দেশের প্রতিটি জেলায় পশুপাখির চিকিৎসকের পরামর্শসেবা ও প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। খামারিদের একটি ডেটাবেজ তৈরি করে সরকারি অনুদান বিতরণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

পরিকল্পনার অভাবে খামারিরা যাতে আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে জন্য তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষিত বেকার যুবকদের অকৃষি জমিতে পোল্ট্রি খামার স্থাপনে উৎসাহিত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

খামারিদের আর্থিক সংকট নিরসনে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করাকেও অগ্রাধিকার দিতে চায় সংগঠনটি।

সংগঠনটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খামারিদের সুসংগঠিত করা, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন খরচ সহনীয় পর্যায়ে রাখা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। খামারিদের আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

এই বিভাগের আরও সংবাদ