মক্কা চুক্তি নিয়ে কোনো দেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’ সম্প্রসারিত হলে অন্য কোনো দেশ বা সম্প্রদায়ের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।
একই সঙ্গে তিনি এটিকে বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায়ের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং মুসলিম দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ এ চুক্তিতে যোগ দিলে দেশের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানতে চান রুমিন ফারহানা। History
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে বাংলাদেশের চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে নেই। কারণ বিষয়টি মূলত চুক্তিতে বর্তমানে যুক্ত দেশগুলোর আগ্রহ ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, ‘তারা যদি বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে অবশ্যই আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।’
ড. খলিলুর আরও বলেন, বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর আগে চুক্তিতে যোগদানের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা সময়ের আগেই হয়ে যাবে। তবে এটি সব বিষয়ই সরকার বিবেচনায় রাখবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট ২০২৬ ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশের দৃষ্টিতে তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
তবে বাংলাদেশের এ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বর্তমান সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর ওপর।
চুক্তিটি সম্প্রসারিত হলে এটির উদ্দেশ্য মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক আত্মরক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থায় অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।



