হরমুজ সংকট কাটাতে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা


হরমুজে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পর্দার আড়ালে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কূটনীতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, তেহরান কিছুটা ছাড় দিলে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে প্রস্তুত থাকার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
গত ৭২ ঘণ্টায় ইরানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অনেকটাই বেড়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরান সফর করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসনে ইরান ও ওমানের মধ্যে নতুন সমঝোতার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নৌপথের বিষয়টিই ছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সবচেয়ে বড় বিরোধের জায়গা।
এদিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে, তেহরানে বার্তা আদান-প্রদানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, ইরান কিছু বিষয়ে ছাড় দিলে তারা আলোচনায় বসতে আগ্রহী।
তবে এই কূটনৈতিক তৎপরতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতা। সেখানে বাসিজ, আইআরজিসি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রেসিডেন্টের দপ্তর আলাদাভাবে ভূমিকা রাখছে। মধ্যস্থতাকারীরা যদি এই সব পক্ষকে এক টেবিলে আনতে না পারেন, তবে এই আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।



