নওগাঁ

পোরশায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশা উপজেলার ৬ নং মুর্শিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, আর্থিক দুর্নীতি, দলীয় পদ-পদবি ব্যবহারের অপব্যবহার ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসাংগঠনিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ৬ নং মুর্শিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। অভিযোগের সঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপি কমিটির একটি রেজুলেশনও সংযুক্ত করা হয়েছে। এবং অভিযোগগুলি তার সামনে উপস্থাপন করলে তিনি এর উত্তর দিতে পারেন নাই পরে তিনি সভা ছেড়ে চলে যান।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম, আর্থিক দুর্নীতি, দলীয় পদ-পদবি ব্যবহারের অপব্যবহার এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসাংগঠনিক আচরণের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। তাঁর কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, নুরুল ইসলাম দলীয় প্রভাব ও পদমর্যাদা ব্যবহার করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছেন। এতে তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিযোগকারী উপজেলা ও ইউনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বলেন, তার নামে বহুবিধ অভিযোগ, তার কথা বলতে গেলে আমারও ইজ্জতে লাগে, বিএনপি অন্যায় কারিকে কখনো প্রশ্রয় দেয় না সরকারি অনুদান পাইয়ে দেওয়ার নামে বিভিন্ন জনের কাছে চাঁদা তুলেছেন তিনি।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক সানাউল হক বলেন, তার নামে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ, শিশা বাজারে দোকান বরাদ্দর নামে চাঁদাবাজি, কাতকইল মাদ্রাসার বরখাস্তককৃত সুপারিনটেনডেন্টকে পুনর্বহালের নামে টাকা আদায় সহ হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ৩০ কেজি বরাদ্দকৃত চাউল দেওয়ার নামে বিভিন্ন জনের কাছে টাকা আদায়।

অভিযুক্ত নরুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নামে আনিত অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। উল্লেখিত অপরাধ গুলি যদি আমি করি যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিব এবং স্বইচ্ছায় দল থেকে বেরিয়ে যাব।

অভিযোগকারীরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয় গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও সংবাদ