১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের সুপারিশ


বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সরকারের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া।
সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ) মো. রাশেদ মিজানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণসংক্রান্ত সর্বশেষ প্রবিধানমালা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অনিষ্পন্ন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়।
হজযাত্রী ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি। এ ছাড়া অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা পরিশোধের সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী সুপার, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে কমিটিকে জানানো হয়।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কমিটি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
বৈঠকে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অবস্থান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন নিয়ে আলোচনা হয়। ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে এনটিআরসিএর সর্বশেষ সিদ্ধান্তও কমিটিকে জানানো হয়।
এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এনটিআরসিএ, এনসিটিবিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।



