জাতীয়

বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করতে হবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশকে কেবল বিদেশি প্রযুক্তির ভোক্তা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বরং নিজস্ব উদ্ভাবন, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তির উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, সফটওয়্যার, ডেটা সেন্টার ও ডিজিটাল সেবায় বিশ্বমঞ্চে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

আজ ০৩ আগস্ট (শনিবার) বিকেলে রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস–২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম ডিজিটাল অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং গবেষণার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে তরুণ উদ্ভাবকদের ভূয়সী প্রশংসা করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই মিলনায়তনে দাঁড়িয়ে আমি কেবল কিছু তরুণ মুখ দেখছি না, আমি দেখছি আগামীর সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। তারা সমস্যার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ না করে নিজেদের মেধা দিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান তৈরি করেছেন।”

এ বছর ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস’-এ বিভিন্ন খাত থেকে মোট ৩৫৫টি উদ্ভাবনী প্রকল্প জমা পড়ে। এই ৩৫৫টি প্রকল্পের মধ্য থেকে দুই দিনের মূল্যায়ন শেষে দেশের সেরা ৪৪টি তথ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (বিন)। ‘উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি, রূপান্তরকে অনুপ্রেরণা’ প্রতিপাদ্যে শনিবার (৩ অক্টোবর) ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও গিফট ভাউচার তুলে দেওয়া হয়। শিল্প, শিক্ষা, ব্যাংকিং, সরকারি প্রশাসন ও স্টার্টআপ অঙ্গনের ৪০ জন অভিজ্ঞ বিচারক দুই দিন ধরে প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করেন। এর মধ্য থেকে ৯টি চ্যাম্পিয়ন, ১০টি উইনার এবং ২৫টি মেরিট পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিপুলসংখ্যক উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির কোনো অভাব নেই।

দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং সম্প্রসারিত মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন প্রয়োজন এই অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে নিজস্ব উদ্ভাবন, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কার্যকর প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।

সম্প্রতি চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এআই কনফারেন্সে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময়, সাশ্রয়ী সংযোগ এবং ডিজিটাল পাবলিক গুডসের ওপর গুরুত্বারোপের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, আজকের তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্যোগে সেই অগ্রযাত্রার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “আজ এখানে যেসব উদ্ভাবন স্বীকৃতি পাচ্ছে, সেগুলো আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এগুলো বিদেশি প্রযুক্তির অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং আমাদের নিজস্ব সমস্যার খাঁটি বাংলাদেশি সমাধান।”

তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্দেশে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আজকের পুরস্কার তাঁদের যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন অধ্যায়ের সূচনা। একটি প্রোটোটাইপকে বাণিজ্যিক পণ্যে এবং সেই পণ্যকে শিল্পে রূপ দিতে গবেষণা, মূলধন বিনিয়োগ ও যথাযথ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। সরকার এসব ক্ষেত্রে তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। এপিকটা (APICTA)-সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্ভাবকদের প্রথম গ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণাগার ও শিল্প খাতের চাহিদার মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি তরুণ উদ্ভাবককের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি, সরকার আপনাদের পাশে আছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তৃতায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক, কল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সম্পদ সৃষ্টির বিষয়টি নিবিড়ভাবে যুক্ত। অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে হলে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শুধু বিচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবনী আয়োজন, পুরস্কার প্রদান বা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা যথেষ্ট নয়। উদ্ভাবন, গবেষণা ও ব্যবসার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার, ব্যবসায়িক খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে একটি কার্যকর ‘ট্রিনিটি’ বা সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পগুলোর একটি সমন্বিত ক্লাস্টার তৈরি করতে হবে। এতে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার গুরুত্ব ও সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে দেশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে গিয়ে বাজারজাতকরণ, ইনকিউবেশন ও বাণিজ্যিকীকরণের ক্ষেত্রে এখনও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার উদ্ভাবনবান্ধব একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গবেষণা অবকাঠামো ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও একাডেমিয়া, শিল্পখাত ও সরকারের মধ্যে কার্যকর সংযোগের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবে রূপান্তর করা যাচ্ছে না। উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ, অর্থায়ন, নীতি সহায়তা এবং একটি কার্যকর উদ্ভাবন-ইকোসিস্টেম প্রয়োজন।

বিজ্ঞান সচিব জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, একাডেমিয়া, শিল্পখাতসহ বিভিন্ন অংশীজনকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে। উদ্ভাবনের পথে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, অর্থায়নে প্রবেশাধিকার, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) বিনিয়োগে কর-সহায়তা এবং আধুনিক গবেষণা সরঞ্জাম আমদানিতে নীতি সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি বলেন, এ উদ্ভাবন-ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং UNDP-কে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও সবুজ অর্থায়নসহ স্টার্টআপ অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় DPDT-এর সঙ্গে এবং গবেষণা ও উন্নয়নে কর-সহায়তা প্রদানের বিষয়ে NBR-এর সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।
মোঃ আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে উৎপাদননির্ভর প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক STEM শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতের জন্য চারটি প্রধান স্তম্ভকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—STEM ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, Research to Market, Innovation to Market এবং Frontier Technology। গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের প্রয়োজনের সংযোগ তৈরি, উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকীকরণ এবং সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানোটেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি ও মহাকাশ গবেষণার মতো উদীয়মান প্রযুক্তিতে সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.)
বলেন, ‘শুধু সংযোগ থাকাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানসম্মত ইন্টারনেট, উপযুক্ত ডিভাইস ও সাশ্রয়ী মূল্য। নিয়ন্ত্রণ যেন উদ্ভাবনের পথে বাধা না হয়ে সহায়ক হয়, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্কের (বিআইআইএন) চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবীর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, বিআইআইএন এর নির্বাহী পরিচালক রুবাবা দ্দৌলা মতিন-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিচারকমণ্ডলী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
অনুষ্ঠানটির আয়োজক বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (বিআইআইএন)। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক স্পনসর এবং কার্টআপ ছিল পাওয়ার্ড বাই পার্টনার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কৌশলগত অংশীদার হিসেবে এ আয়োজনে যুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য যে,চ্যাম্পিয়ন ও উইনার উদ্ভাবনগুলো এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স (অ্যাপিকটা) অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনয়ন পাবে। চ্যাম্পিয়ন এওয়ার্ড প্রাপ্ত ০৯ টি ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে: সক্রিও টেকনোলজিস লিমিটেডের ‘সক্রিও ডিএমএস’ (ইন্টেলিজেন্ট সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম); টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের ‘মাইইসিজিএআই’ (বাংলাদেশের প্রথম এআই-চালিত ইসিজি ডিভাইস) এবং গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের ‘দ্য সুখী ওয়ে: কানেক্টেড কেয়ার থ্রু ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল সার্ভিসেস’।
শিক্ষার্থী ক্যাটাগরি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ‘এজেন্টআইএএম’; ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) ‘ক্রনিক’; চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ‘সিঙ্ক ভি-১: ব্রেইল এমবসার’; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরবর’ এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক কলেজের ‘ব্রেইলব্রিজ’। ব্যক্তিগত বা দলীয় ক্যাটাগরি: ‘বিন্দো’ (Bindo)।

এই বিভাগের আরও সংবাদ