” চিকিৎসক ও রোগী—উভয়ের নিরাপত্তাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার”


চিকিৎসক ও রোগী—উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন ও সক্রিয়। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ৪৮তম (বিশেষ) স্বাস্থ্য ক্যাডার নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের যোগদান ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন৷
নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নে এখন আপনারাও অংশীদার। তাই আজ থেকে যে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে আপনারা যুক্ত হচ্ছেন, সেটিকে আরো উন্নত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার দায়িত্বও আপনাদের। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস করতে হবে—আমরা একটি টিম হিসেবে আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে এমন একটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব, যেখানে আপনাদের পুরো কর্মজীবন হবে একটি সুন্দর, সুগঠিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার অংশ। একইসঙ্গে রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সুন্দর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে।’
ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরে নবীন চিকিৎসকদের প্রযুক্তিবান্ধব ও গবেষণামুখী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার আধুনিক ও জনবান্ধব ‘ডিজিটাল হেলথ’ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আগামী কয়েক দশক জনগণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নবীন চিকিৎসকদেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন৷



