নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ১৪ শতাধিক


নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে নেপাল সীমান্তে বহু মানুষের মরদেহ উদ্ধারের পর দেশটির পুলিশ নিহতের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করে। খবর এএফপির।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তিব্বত অংশে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। ফলে দুই সীমান্ত মিলিয়ে সার্বিক প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫৫২ জনে।
বর্তমানে শতাধিক বিদেশিসহ এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালে ঘটা সবচেয়ে বড় এবং প্রাণঘাতী বিপর্যয়। পাহাড়ের ওপর বিশাল একটি হিমবাহ ধসে পাথর ও বরফের মিশ্রণে ভয়াবহ কাদা-পানির তোড় সৃষ্টি হওয়ায় এই বিপুল ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে।
ভারতের সীমান্ত এলাকার নদ-নদী থেকে সাতজন ভেসে আসা মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, তারা নেপালের এই ভয়াবহ বন্যারই শিকার। তবে তাদের পরিচয় শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে এবং ভারতের উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোকে নেপালের মূল হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
পাহাড়ি নদীর পানি উপচে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বহু ঘরবাড়ি ও সড়ক ধ্বংস হয়ে গেছে। নিখোঁজ ও আটকা পড়া মানুষদের খোঁজে হেলিকপ্টার ও সেনাসদস্যদের মাধ্যমে বড় আকারের উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।



