জাতীয়

ধনী গরিব চিনে না এআই ক্যামেরা, শুধু চেনে যানবাহন

মনির হোসেন জীবন, বিশেষ সংবাদদাতা : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরা ধনী গরিব চিনে না। সে শুধু চেনে যানবাহন এবং তার চলার গতি। প্রাথমিক ভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আটটি পয়েন্টসহ
মোট ১৯টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে আটটি পয়েন্টে অত্যাধুনিক এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এটি চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজারের অধিক মামলা করা রুজু করা হয়েছে। এরআগে নগরীতে ১৫টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা ছিল। বর্তমানে মোট ১৯টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে মহানগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে। এক বছরের মধ্যে ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। তবে ট্রাফিক পুলিশ বলছে, ৬০ শতাংশ গাড়ির চালকরা ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন। ফলে ট্রাফিক বিশৃঙ্খলার শহরে শৃঙ্খলা ফেরার নতুন এক আশা তৈরি হয়েছে। খবর ট্রাফিক পুলিশ ও বিভিন্ন তথ্য সূত্রের।

বিভিন্ন প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মে, ২০২৬ থেকে ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা সক্রিয় করা হয়েছে। ঢাকা শহরের রাস্তায় এআই প্রযুক্তি সক্রিয় করার পর প্রতিদিন হাজার হাজার মামলাও করা হচ্ছে। সেটি যাচাই বাছাই করে বিভিন্ন আইন অমান্যের কারণে এ পর্যন্ত ৪শ থেকে ৬শ এর বেশি মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ আরও বলছে, এআই ক্যামেরা ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবহনের ভিডিও এবং স্থিরচিত্র ধারণ করছে। এরপর বিআরটিএর ডেটাবেস থেকে তথ্য নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইন অমান্যকারী যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করে এবং ডিজিটাল মামলা জেনারেট করছে। সিগন্যাল অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিং বা স্টপ লাইন অতিক্রম করা, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী তোলা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি, অবৈধ পার্কিং এবং বাম পাশের লেন ব্লক করে রাখা, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো, সিটবেল্ট ব্যবহার না করা, ফুটপাত দিয়ে গাড়ি চালানোর মতো অপরাধগুলো এআই ক্যামেরায় ধরা পড়ছে। মামলার ভিডিও প্রমাণসহ (ফুটেজ) ডিজিটাল মামলাটি সরাসরি গাড়ির মালিকের মোবাইল ফোনে এসএমএস বা ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। নোটিস পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা, সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে। ঢাকা মহানগরীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ট্রাফিক পুলিশের ম্যানুয়াল কাজের চাপ কমাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ বলছে, এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা ধনী-গরিব চেনে না। সে চেনে যানবাহন।

সম্প্রতি এআই-প্রযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা রাস্তায় চালুর পর আজ বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গাড়িগুলো বিভিন্ন মোড়ের জেব্রা ক্রসিং পর্যন্ত যাচ্ছে না কিংবা পথচারীদের রাস্তা পার হওয়ার জায়গা দখল করছে না। অন্তত আগের চেয়ে এই প্রবণতা এখন কম দেখা যাচ্ছে। আরও অবাক করা বিষয় হলো, গাড়িগুলো সিগন্যাল সবুজ হলেই চলতে শুরু করে, এর আগে না। ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য এটা নতুন এক চিত্র। যারা প্রতিদিন এই সড়কে যাতায়াত করেন, তাদের কাছে কয়েকদিন আগেও বিশৃঙ্খলা ছিল প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা, সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে বিরল সব দৃশ্য। ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কয়েকটি পয়েন্টে ২৫টি এআই-ক্যামেরা বসানো হয়েছে। নতুন এই প্রযুক্তি ৫ ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করতে পারে। চলতি মাসের শুরুতে চালু হওয়া এই স্মার্ট সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল বাতি অমান্য, বন্ধ থাকা বাম লেনে প্রবেশ, লেন ভঙ্গ, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিং শনাক্ত করা যায়।

তথ্য অনুসন্ধান ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে আটটি পয়েন্টে এআই ক্যামেরা ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে। সে স্পট গুলো হলো- রায়সাহেব বাজার, ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, সোনারগাঁও, কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, জাহাঙ্গীর গেট ও গুলশান। এক বছরের মধ্যে ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের। এআই ক্যামেরা নগরীর যানবাহন চালকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এরই মধ্যে সফলতাও আসছে। বেশির ভাগ চালকই আইন মেনে গাড়ি চালাচ্ছেন।

এদিকে বিভিন্ন যানবাহন চালকরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির ক্যামেরার বিষয়ে প্রচার-প্রচারণার ঘাটতি রয়েছে। অনেকে এ বিষয়টি জানেন না। তবে ট্রাফিক পুলিশ বলছে, ৬০ শতাংশ গাড়ির চালকরা ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন। ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও নজরদারিতে এআই ক্যামেরার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করছে। এর আগে যানবাহনে বিআরটিএর দেওয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহার না করলে জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রগুলো জানায়, চলতি বছরের গত ১১ মে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এ বিষয়ে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, সরকারনির্ধারিত রং, ডিজাইন ও সাইজ অনুযায়ী নম্বর প্লেট নির্ধারিত স্থানে ব্যবহার করা আইনিভাবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক যানবাহনে বিআরটিএ সরবরাহকৃত রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে না। আবার কিছু যানবাহনে নম্বর প্লেটের পরিবর্তে পেইন্ট দিয়ে লেখা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক যানবাহনের মালিক নম্বর প্লেটের অর্থ পরিশোধ করলেও বিআরটিএ থেকে নির্ধারিত নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ সংগ্রহ করেননি। এ ছাড়া অনেক যানবাহনের উইন্ডশিল্ডে স্থাপিত আরএফআইডি ট্যাগ অকার্যকর অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

তেজগাঁও বিভাগের ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গেল ৩০ জুন, ২০২৬ দুপুরে ডিএমপির ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরা চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০টি মামলা করা হয়েছে। এরআগে নগরীতে ১৫টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা ছিল। বর্তমানে মোট ১৯টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে মহানগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে।

ডিএমপি পুলিশের এ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জিয়া উদ্যান ও জাতীয় সংসদ-সংলগ্ন লেক রোড জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ক্রসিং ও উড়োজাহাজ ক্রসিংকে যুক্ত করা হয়েছে। এটি মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি থেকে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়ক। অবস্থানগত গুরুত্বের কারণে সড়কটি উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টনী ও ভিভিআইপি মুভমেন্ট জোনের অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনা ও ঝুঁকি কমাতে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে ইতিমধ্যে লেক রোডে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, লেক রোডে স্থাপিত এআই ক্যামেরা সরাসরি ডিএমপির কমান্ড সেন্টারের সঙ্গে সংযুক্ত। কোনো যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করলে, বিপজ্জনকভাবে লেন পরিবর্তন করলে, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালে, অবৈধ পার্কিং করলে বা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে এআই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা শনাক্ত করবে। এরপর ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই-প্রসিকিউশন বা মামলা হবে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এই পদ্ধতিতে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশকে সড়কে দাঁড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন থামিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে না। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইলে বার্তা পাঠানো হবে। পাশাপাশি ডাকযোগেও মামলার কাগজপত্র গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হবে। জরিমানার অর্থ ট্রাফিক অফিসে জমা হওয়ার পর তা সিস্টেমে যুক্ত হয়। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় করা প্রায় ৩৮ হাজার মামলা (সমন) এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ডিএমপির আওতাধীন রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে এআই ক্যামেরা সক্রিয় করা হয়েছে। হাজার হাজার আইন অমান্য করার ঘটনা ঘটছে। সেগুলো আমরা যাচাইবাছাই করে এ পর্যন্ত ৩শ এর অধিক যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসন এবং যানবাহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুরো ঢাকা মহানগরীতে এআই ক্যামেরা সক্রিয় করা হচ্ছে। শহরের সড়কে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা চালু করার পর যানবাহনচালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বেড়েছে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, নতুন সিস্টেম চালু হওয়ার প্রথম সপ্তাহে ৩শ ৫শ টির বেশি ট্রাফিক মামলা হয়েছে। শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, জাহাঙ্গীর গেট ও বিমানবন্দর সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে এআই ক্যামেরা বসানোর পর আরও বেশ কিছু সড়ককে এআই-ভিত্তিক নজরদারির আওতায় আনার পরিকল্পনা চলছে। সতর্ক চালকরা ক্যামেরা দেখে গাড়ির অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিচ্ছেন। রাইড- শেয়ারিং মোটরসাইকেলগুলোকেও যথেষ্ট সাবধানী মনে হচ্ছে। যারা ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালাতেন, হুটহাট লেন পরিবর্তন করতেন এবং ফুটপাতে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দিতেন, এআই ক্যামেরার কারণে তারা দ্বিতীয়বার ভাবছেন।

এদিকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলছেন, ভিডিও প্রমাণ থাকায় মামলার ভয়ে চালকদের আচরণগত পরিবর্তন এসেছে। নতুন সিস্টেমে গাড়ির মালিকদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলার নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, নোটিশ উপেক্ষা করলে বিদ্যমান আইনে তলব, এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে। তবে দৃশ্যমান এসব উন্নতি সত্ত্বেও অনেক রাস্তায় নিয়ম লঙ্ঘন চলছেই। উল্টোপথে গাড়ি চালানো, সিগন্যাল অমান্য করা এবং বেপরোয়াভাবে লেন ভাঙার দৃশ্য এখনো কিছু সড়কে চোখে পড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পথচারীদের অনেকে রাস্তা পারাপারের নিয়ম না মেনে, বিশেষ করে জেব্রা ক্রসিং বা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন।

অপরদিকে উত্তরা বিভাগের ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, কোনো যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে গাড়ি চালালে, বিপজ্জনকভাবে লেন পরিবর্তন করলে, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালে, অবৈধ পার্কিং করলে বা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে এআই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা শনাক্ত করে। এরপর ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই-প্রসিকিউশন বা মামলা হচ্ছে ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুরো ঢাকাজুড়ে এই প্রযুক্তি চালু হলে সপ্তাহে মামলার সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে নগরীর যানজট ও ট্রাফিক সিস্টেম ব্যবহারে এটি একটি ভালো উদ্যোগ।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সারোয়ার সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে রাজধানীর বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ ধরনের ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্ট ও পরিদর্শকদের মামলা দেওয়ার সংখ্যা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

এই বিভাগের আরও সংবাদ