দেশজুড়ে

পুঠিয়ায় অপহৃত হেলপার উদ্ধার হলেও আটক হয়নি মূল আসামীরা

পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর পুঠিয়ায় ট্রাকের হেলপারকে অপহরণ কর‍ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগে এক অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক মানোয়ার হোসেন (২৩) বানেশ্বর দিঘলকান্দি উত্তরপাড়া এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে। অপরদিকে অপহরণের শিকার ইসমাইল হোসেন (২১) নাটোর বাগাতিপাড়া উপজেলার চন্দ্রখৈইর গ্রামের মন্জুর রহমানের ছেলে এবং পেশায় ট্রাক হেলপার।

এ ঘটনায় বাগাতিপাড়া উপজেলার ইসমাইলের পিতা মজনুর রহমান বাদী হয়ে ২৫ জানুয়ারী সকালে ৫ জনের নামে পুঠিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার আসামীরা হলেন, পুঠিয়া উপজেলার দিঘলকান্দি উত্তরপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে মানোয়ার হোসেন ও একই এলাকার সাদ্দাত আলীর ছেলে সায়েম এবং জিউপাড়া সৈয়দপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে আতিকুল ইসলাম আতিকসহ অজ্ঞাত আরও দু’জন।

আসামী আতিকুল ইসলাম আতিক পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজের ল্যাব এসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত। বিভিন্ন সময় নিজেকে ক্রাইম সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতেন তিনি। জানাযায় এক সময় পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করতো। পুলিশ র্যাবের নাম ভাঙ্গিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অপহরণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি কামনা করেছে এলাকাবাসি।

থানার এজাহার সূত্রে জানাযায়, গত ২৩ জানুয়ারী সন্ধ্যার সাড়ে সাতটার দিকে ভুক্তভোগি ইসমাইল হোসেনকে তার নিজ বাড়ির সামনে থেকে ৩টি মোটর সাইকেল যোগে ৫ জন ব্যাক্তি তাকে অপহরণ করে। এরপর অপহরণে অভিযুক্তরা পরের দিন ২৪ জানুয়ারী বিকেলে মুঠোফোনের মাধ্যমে তার পিতার নিকট দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। আর মুক্তিপণের দাবীকৃত টাকা পুঠিয়ার বানেশ্বর বাজারে নিয়ে আসতে নির্দেশ দেয়। এঘটনায় ভুক্তভোগির পিতা ইসমাইল হোসেন পুঠিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, অপহরণের ঘটনায় ভুক্তভোগির পিতা গতরাতে থানায় অবহিত করেন। অভিযোগের এক ঘন্টার মধ্যে পুলিশের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃত ট্রাক হেলপারকে উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে অপহরণকারীদের একজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের আরও সংবাদ