সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে থমথমে দিল্লি, কঠোর অবস্থানে সরকার


ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির কর্মসূচি আর সরকারের কঠোর অবস্থান ঘিরে থমথমে রাজধানী দিল্লি। নামানো হয়েছে পুলিশের বাড়তি ২৩ হাজার সদস্য। আন্দোলনে আপত্তি জানিয়ে খোলা চিঠি দিয়েছেন ৪২ জন সাবেক বিচারপতি।
ককরোচ সমর্থকদের মোকাবেলা করতে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে শনিবার (১০ অক্টোবর) অনুষ্ঠেয় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান আর টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ার গাড়ি। চলছে সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি।
গত জুলাই মাসে যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলাকালে ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত দুই হাজার ৮৭৩ জন এবারের আন্দোলনে শমিল হতে পারবে না। দিল্লি পুলিশের রেকর্ড বলছে, তাদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ভোটার তালিকায় কারসাজি আর কারচুপির অভিযোগে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার উত্তাল ছিলো কর্নাটক, কেরালা, বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্য। পুলিশি দমন অভিযানে নারী হেনস্থার প্রতিবাদে এদিন চপ্পল কর্মসূচি পালন করা হয়। সরকার ও প্রশাসনকে স্যান্ডেল দেখিয়ে প্রতিবাদ জানান বিক্ষুব্ধরা।
এদিকে, খোলা চিঠি দিয়ে এই আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ৪২ জন সাবেক বিচারপতি। তাদের মতে, সিইসির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রকে অস্থির করার অপচেষ্টা বলেছেন তারা।



