জাতীয়

সংসদে যে আচরণ লক্ষ করেছি, সেটা গণতান্ত্রিক সংসদে হয় না : রুমিন ফারহানা

ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ এর সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এই সংসদে কোনো ডিসেন্ড ভয়েজ রেইজ করা যায় বলে আমার মনে হয় নাই এবং আমি কথা বলার পরে সংসদে যে ধরনের আমি আচরণ লক্ষ করেছি সেটা কোন গণতান্ত্রিক সংসদে হয় না।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন ১৯৭৯ রহিতপূর্বক যুগোপযোগী পুনঃ প্রণয়ন কল্পে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিল ২০২৬ এর আলোচনার সময় এই কথা বলেন। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন।

রুমিন ফারাহানা বলেন, মাননীয় স্পিকার বিলের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে গতকালকে (বুধবার) আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তাই এই সংসদে কোনো ডিসেন্ড ভয়েজ রেইজ করা যায় বলে আমার মনে হয় নাই। তিনি বলেন, আমি কথা বলার পরে সংসদে যে ধরনের আমি আচরণ লক্ষ করেছি সেটা কোন গণতান্ত্রিক সংসদে হয় না।

সংসদ সদস্য রুমির ফারহানা বলেন, আমার কথার যদি কোনো কাউন্টার বলার বিষয়ে থাকতো, সেটা দাঁড়িয়ে বলা যেতো। আমি বক্তব্য শেষ করার পরে বক্তব্য দেওয়া যেতো। শুধু তাই নয় মাননীয় স্পিকার এই মহান সংসদে আমার আশেপাশে সংসদ সংসদ সদস্যগণ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। এটা কোনো সংসদীয় রিতিনীতির মধ্যে পড়ে না।

এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, মাননীয় সদস্য এই সংসদে স্বাধীনতার পক্ষে আপনি। আমি কামনা করি এবং আশা করব তিনি ট্রেজারি বেঞ্চের হোক কিংবা বিরোধী দলের হোক তার বক্তব্যের সময়ে অন্য পক্ষ থেকে বা কারও পক্ষ থেকে বাঁধা প্রদান করা হবে না। এটা আমি আশা করি। গতকাল যা হওয়ার হয়ে গেছে, আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাই। আপনি এখন বিলটির জনমত যাচাই এবং বাঁছাইয়ের বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন। আমি আপনার সেন্টিমেন্টকে রেসপেক্ট করছি। এখন অনুগ্রহ করে বিলটির ওপরে বক্তব্য রাখুন। এরপর রুমির ফারহানা বলেন, মাননীয় স্পিকার একটা সংসদে সরকারি দল থাকবে, বিরোধী দল থাকবে এবং সংসদে স্বতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত সরকারি দল থাকবে। একেক জনের একেক রকম মত থাকতে পারে। সেটা প্রকাশ করার স্বাধীনতা প্রত্যেকের থাকা উচিত। যখন একা দাঁড়িয়ে আমি আওয়ামী লীগের সংসদে ২০১৮ সালে বিএনপির পক্ষে কথা বলেছিলাম। তখনও আমাকে একটা জঘন্য পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এরপরে কয়েকহাজার মানুষের প্রাণের বিনিয়মে আমরা ভোটের মাধ্যমে সংসদ আনলাম। সেখানে যদি ন্যূনতম কোনো পরিবর্তন ঘটে তাহলে এই সংসদে বিরোধীদল সেজে শুধু নামে ভোট দেওয়ার কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।

পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি মাননীয় কোনো সংসদ সদস্যের অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য দিতে চাই না। মাননীয় সংসদ সদস্য বিলের ওপরে কোনো বক্তব্য দেননি। এরপরে তিনি বলেন, আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনটা আনতে পারতাম, কিন্তু এটা ইংরেজিতে আনতে হতো।

এই বিভাগের আরও সংবাদ