রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি যে ৬ এমপি


জাতীয় সংসদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়। অধিবেশনে অধিকাংশ সংসদ সদস্য উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট প্রদান থেকে বিরত ছিলেন।
অধিবেশন কক্ষে নির্বাচন কমিশন গঠিত প্যানেলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্ধারিত সময় শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ সমাপ্তির কথা ঘোষণা করেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে মোট ৩৪৩ জন সদস্য নির্বাচনে তাদের রায় দিয়েছেন। তবে বিভিন্ন কারণে ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। অনুপস্থিত থাকা সদস্যরা হলেন বিএনপির মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৮), ড. ওসমান ফারুক (কিশোরগঞ্জ-৩) ও মোস্তফা কামাল পাশা (চট্টগ্রাম-৩); স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); খেলাফত মজলিশের সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান (সিলেট-৫) এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪)।
সংসদীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা মির্জা আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতার কারণে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় উপস্থিত হতে পারেননি। অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি ভিডিও নিয়ে তৈরি বিতর্কের জেরে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছিল তার দল, তবে তার অনুপস্থিতির নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানাসহ অনুপস্থিত অন্যান্যদের বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ শেষ মুহূর্তে অধিবেশনে অংশ নিয়ে ভোট প্রদান করেন।



