নওগাঁ

সরু ব্রিজের স্থলে প্রশস্ত ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

​রুহুল আমিন, আত্রাই (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সিংসাড়া ইব্রাহিমনগর দাড়ির ওপর একটি প্রশস্ত ও আধুনিক ব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। বর্তমানে সেখানে একটি পুরনো ও অত্যন্ত সরু ব্রিজ রয়েছে, যা এলাকার হাজার হাজার মানুষের প্রতিদিনের চলাচলে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটি এতই সরু মাত্র একটি ভ্যান উঠলেই পুরো পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় বিপরীত দিক থেকে অন্য কোনো ভ্যান, সিএনজি বা ছোট যানবাহন তো দূরের কথা, পথচারী পার হওয়াও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

​গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ মাধ্যমটি ব্যবহার করে সিংসাড়া, দমদমা, দীঘা, কাশোপাড়া, শুটকিগাছা, চৌয়ড়বাড়ী, বেওয়া, ভবানীপুর, মির্জাপুর, রসুলপুর, গোন্ডগোহালী, কুশাতলা, ডাঙ্গাপাড়া, বারুইপাড়া, কুদাপাড়া, মরুগ্রাম, ব্রজপুর ও নওদাপাড়াসহ ২০টি গ্রামের মানুষ। এসব গ্রামের বাসিন্দাদের জেলা সদর নওগাঁ, সীমান্তবর্তী বাগমারা ভবানীগঞ্জ এবং রাজশাহী শহরে যাতায়াতের এটিই প্রধান রাস্তা।

​প্রতিদিন স্থানীয় কেজি স্কুল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও কারিগরি কলেজের শত শত শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে এই সরু ব্রিজ পার হতে হয়। এছাড়া মুমূর্ষু রোগী পরিবহন এবং এলাকার উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছাতে স্থানীয়দের প্রতিনিয়ত পড়তে হচ্ছে চরম বিপাকে। এই জনভোগান্তি নিরসনে অবিলম্বে সেখানে ১২০ ফুট দীর্ঘ একটি নতুন ও প্রশস্ত ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

​এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. আইয়ুব আলী বলেন, এই জরাজীর্ণ ও সরু ব্রিজের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একটি গাড়ি উঠলে অপর পাশ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়,

ফলে প্রায়ই দীর্ঘ যানজট ও ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। যোগাযোগের সার্বিক মানোন্নয়ন ও জীবনের ঝুঁকি এড়াতে অবিলম্বে একটি ১২০ ফুটের আধুনিক ব্রিজ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রেজাউল ইসলাম রেজু মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি ।

​এলাকাবাসীর এই দুর্দশা লাঘবে নওগাঁ-০৬ (আত্রাই- রাণীনগর) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আত্রাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রেজু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ২০ গ্রামের সাধারণ জনগণ ও এলাকাবাসী।

এই বিভাগের আরও সংবাদ