অর্থনীতি

৩ দফা বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দরপতন, ভরি কতো?

টানা তিন দফা বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ভরিতে দুই হাজার ১৫৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। সকাল ১০টা থেকে তা কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়। তাই শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকেই এ দামে বিক্রি শুরু হয়েছে স্বর্ণ।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকায়। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।

এর আগে গত ১৩ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে এক হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় দুই লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।

বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫১ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬২ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩০ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।

এই বিভাগের আরও সংবাদ