খুলনা ব্যুরো : ফাঁকা বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘরে। পুড়ে যায় আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নগদ টাকা। ৬ নভেম্বর শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়িটি খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুজ্জামান তুফানের বাবা শিক্ষক জি এম আব্দুর রশিদের।
উক্ত ঘটনার সত্যতা তরঙ্গ নিউজকে নিশ্চিত করেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশেদুল আলম। তিনি মুঠোফোনে বলেন, " আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম, জানালা খোলা ছিল,কেউ হয়তো আগুন ধরিয়ে জানালা দিয়ে ফেলে দিয়ে পালিয়ে গিয়েছে ; এব্যাপারে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সদস্যরা খুলনায় থাকায় বাড়িটি ছিল ফাঁকা। শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন বাড়িটিতে আগুন জ্বলতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ঘরের আসবাবপত্র, কাগজপত্র ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে যায়।
তুফান বর্তমানে যুবরাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা জি এম আব্দুর রশিদ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
এ ঘটনাকে রাজনৈতিক কারণে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ বলে সন্দেহ করছেন তুফান। তিনি বলেন, ‘আমাদের কারও সঙ্গে পূর্বশত্রুতা নেই। গত ১ নভেম্বর আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করায় পরিবারের সদস্যরা খুলনায় আমার বাসায় আসেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গভীর রাতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। দীর্ঘদিন রাজনীতি করতে গিয়ে নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছি। জুলাই আন্দোলনেও খুলনায় সামনের সারিতে ছিলাম। হয়তো রাজনৈতিক কারণে গ্রামের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের পরই আগুন দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও কারণ জানা যাবে।
প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদকঃ মোঃ আবদুল ওয়াদুদ II ভিজিট করুন - www.torrongonews.com