দুবাইয়ে চলমান নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করে ১৪৯ রান তোলে ভারত। জবাবে বাংলাদেশ স্রেফ ১০৯ রানই তুলতে পেরেছিল।
ভারতকে ১৫তম ওভার পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। ১৫ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ভারতের রান ছিল মাত্র ৯৬। তবে ফিল্ডিংয়ে বেশ কিছু সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষ পাঁচ ওভারে ৫৩ রান তুলে ৬ উইকেটে ১৪৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত।
শাফালি ভার্মা একাধিকবার জীবন পেয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪০ বলে করেন সর্বোচ্চ ৬৪ রান। শেষ দিকে দলকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখেন হারমানপ্রিত কৌর (অপরাজিত ২৪), রিচা ঘোষ (২১) এবং দীপ্তি শর্মা (৬ বলে অপরাজিত ১৩)।
বাংলাদেশের হয়ে ২টি উইকেট নেন সুলতানা খাতুন। এছাড়া মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার এবং রাবেয়া খান একটি করে উইকেট নেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী মনে হয়নি বাংলাদেশের ব্যাটারদের। ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করার চেয়ে বড় ব্যবধানে হার এড়ানোর দিকেই যেন বেশি মনোযোগ ছিল তাদের।
পাঁচ নম্বরে নেমে ১৮ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন স্বর্না আক্তার। তবে ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত হাতের বাইরে চলে যায়। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
ওভারপ্রতি ৭.৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। তবে শুরু থেকেই কোনো গতি তৈরি করতে পারেননি টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। দিলারা আক্তার (২৬ বলে ২১), জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১৮ বলে ১৪) এবং সোবহানা মোস্তারি (২৪ বলে ১৮) শুরু ভালো করলেও তা বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও (১৭ বলে ১৯) আবারও দলকে ভরসা দিতে ব্যর্থ হন।
ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন দীপ্তি শর্মা। তিনি নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া নন্দিনী শর্মা নেন ২টি উইকেট।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে টানা নবম হার এটি বাংলাদেশের। গত আসরের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ।
সাতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত এখন একই ভেন্যুতে রোববার ফাইনালে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা অথবা পাকিস্তানের। ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার কাছে হারানো শিরোপা আবার নিজেদের করে নিতে চাইবে তারা।
প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদকঃ মোঃ আবদুল ওয়াদুদ II ভিজিট করুন - www.torrongonews.com