মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষী না আসায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, মোহাম্মদ অলি মিয়াসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
শুনানিতে তাসমিরুল বলেন, এ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষী উপস্থিত হননি। এজন্য আমরা ১৫ দিন সময় চাই।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আপত্তি আছে কিনা জানতে চাইলেন বিচারক। তবে তাদের আপত্তি না থাকায় ১৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে, ২০ আগস্ট এ মামলায় ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন রাতুল হাসান নামের এক শিক্ষার্থী।
এদিকে, আজ সকালে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়। রেদোয়ানুল ছাড়া অন্যজন হলেন- বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম।
এ মামলায় পলাতক দুজন হলেন- ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলেছে। এর মধ্যে রামপুরায় নিহত হয়েছেন ২৮ জন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রামপুরায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা যায়।
এছাড়া অন্যরাও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এ হত্যাযজ্ঞে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ট্রাইবুনালে চারজনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদকঃ মোঃ আবদুল ওয়াদুদ II ভিজিট করুন - www.torrongonews.com