বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হার চোখ রাঙাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়াকে। তবে সেটা এড়িয়ে গেলেও টাইগারদের বোলিং তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। আর তাতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৫৭ রান।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৪২৬ রানের পাহাড় গড়ে বসে। প্রথম ইনিংসের লিডটা গিয়ে ঠেকে ২২৮ রানে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই দুই ওপেনারকে হারায় অজিরা। সেখান থেকে স্টিভেন স্মিথের ৪৪ আর ক্যামেরন গ্রিনের ফিফটির পরও শঙ্কা কাটছিল না অস্ট্রেলিয়ার। কারণ ওপাশে যে উইকেট একটার পর একটা পড়েই যাচ্ছিল।
তৃতীয় দিনটা অস্ট্রেলিয়া শেষ করেছিল ১৬১ রানে। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে তাদের প্রয়োজন ছিল ৬৭ রান। তবে সকালে মেহেদী হাসান মিরাজ একে একে ৩ উইকেট তুলে নেন। ফলে একটু একটু করে শঙ্কা বাড়ছিল অজিদের। সবশেষ কামিন্সের উইকেটটা যখন নেয় বাংলাদেশ, তখনও স্বাগতিকরা ২১ রানে পিছিয়ে ছিল ইনিংস ব্যবধানে হার থেকে। শেষমেশ গ্রিনের কল্যাণে সে হারটা এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ১০৪ রানে থামে তার ইনিংস।
হাসান মাহমুদের একটু নিচু হওয়া ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান এই অলরাউন্ডার। অফ স্টাম্পে তাক করে করা ডেলিভারি একটু নিচু হয়ে যাওয়ায় ঠিকঠাক ডিফেন্স করতে পারেননি গ্রিন। ব্যাটের নিচের অংশে লেগে, আঘাত হানে স্টাম্পে। ভাঙে ৩৭ বল স্থায়ী ২৮ রানের জুটি। ২০১ বলে চার চার ও এক ছয়ে ১০৪ রান করেন গ্রিন। তিনি ম্যাচে হাসানের নবম শিকার।
এরপর অস্ট্রেলিয়ার অলআউট হওয়া নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল আনুষ্ঠানিকতা। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন নাথান লায়ন। রিভিউ নিয়েছিলেন তিনি, তবে কাজ হয়নি; রিপ্লেতে দেখা যায় ইমপ্যাক্ট, পিচিং আর হিটিং, সবই হয়েছে নিয়ম মেনে, ফলে আউট হন তিনি। মিরাজ তুলে নেন ৫ উইকেট। অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।
প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদকঃ মোঃ আবদুল ওয়াদুদ II ভিজিট করুন - www.torrongonews.com